আচরণবিধি

পাঠদান, সিলেবাস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত নিয়মাবলী

 

১। প্রতিটি বিষয়ে পাঠদানের জন্য প্রতিটি শ্রেণীতে বিষয় শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন।

২। একটি পুরো বছরের সিলেবাসকে সময়ানুযায়ী দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

৩। প্রতিটি টার্মের জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশমালা রয়েছে।

৪। পুরো সিলেবাস নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শিক্ষক শেষ করবেন। শিক্ষার্থী তাঁর ডায়েরীতে নোট করবে। অভিভাবক ডায়রি অনুসরণ করবেন।

৫। শিক্ষক প্রতিটি বিষয়ের নমুনা উত্তর ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অনুশীলন করাবেন।

৬। শিক্ষার্থী সম্পর্কে কোন অভিযোগ থাকলে শ্রেণী শিক্ষকসহ বিষয় শিক্ষক তা ডায়রিতে লিখিতভাবে জানাবেন অভিভাবকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার উদ্দেশ্যে।

৭। শিক্ষকবৃন্দ যে শ্রেণী পরীক্ষাগুলো নেবেন অবশ্যই তাতে অভিভাবকের মতামত ও স্বাক্ষর থাকবে।

৮। বিদ্যালয়ে বছরে দুইটি পরীক্ষা চালু রয়েছে। ১ম টিউটোরিয়াল + অর্ধবার্ষিক + ২য় টিউটোরিয়াল + বার্ষিক পরীক্ষা। টিউটোরিয়াল পরীক্ষার নম্বর এবং দুই টার্ম পরীক্ষার নম্বর একত্রে গড় করে তার উপর ভিত্তি করে পরবর্তী শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করা হয়ে থাকে।

৯। এছাড়া সাপ্তাহিক পরীক্ষা চালু রয়েছে। প্রতি বিষয়েই কমপক্ষে দুটো করে পরীক্ষা নেয়া হয়ে থাকে।

১০। কোন শিক্ষার্থী যদি অসুস্থতা বা কোন আকস্মিক দুর্ঘটনার কারণে পরীক্ষা দিতে ব্যর্থ হয় তা অবশ্যই শ্রেণী শিক্ষক/প্রধান শিক্ষককে লিখিতভাবে জানাতে হবে।

১১। বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় দু’বার অনুত্তীর্ণ হলে বিদ্যালয়ে রাখা হবে না।

১২। নির্বাচনী পরীক্ষার ১ মাস পর জে.এস.সি. ও এস.এস.সি বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

১৩। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত কোন শিক্ষার্থী শ্রেণীতে অনুপস্থিত থাকলে প্রতিদিনের জন্য ২০/- (বিশ) টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে।

১৪। কোন শিক্ষার্থী অসুস্থ থাকলে উপস্থিতির ৩ দিনের মধ্যে ডাক্তারের ফিটনেস সার্টিফিকেটসহ ছুটি মঞ্জুরের আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে কোন জরিমানা হবে না।

১৫। শিক্ষা সংক্রান্ত যে কোন সমস্যায় শ্রেণী শিক্ষক/সহকারী প্রধান শিক্ষক অভিভাবকের সাহায্য সহযোগিতা করবেন।